হ্যান্ডসেট রিভিউ – Sony XPERIA SL LT26ii

আজকাল আমাদের বাংলাদেশের মোবাইল বাজার নতুন করে জমে উঠেছে শুধুমাত্র নতুন নতুন স্মার্টফোনের জন্য। তার মধ্যে আমরা নতুন জেনারেশনের ছেলেমেয়েরা অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের দিকেই বেশি ঝুকছি। মোবাইল বাজারে গেলেই দেখা পাওয়া যায় রাশি রাশি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের, যেগুলো কোম্পানী ভেদে বিভিন্ন দামের হয়ে থাকে। আমিও একজন অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারী। আজ আমি আমার ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন Sony XPERIA SL LT26ii  নিয়ে কিছু কথা বলবো। আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন যে সনি কোম্পানী সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছে যে তারা এখন থেকে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যাতীত অন্য কোন মোবাইল হ্যান্ডসেট বাজারে ছাড়বে না। তাও আবার তাদের তৈরিকৃত অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনগুলো বেশ দামিই হবে। সেই সূত্র ধরেই হাল আমলের প্রায় নতুন সেট এই Sony XPERIA SL LT26ii । এক কথায় বলতে গেলে যারা মোবাইল সেটকে অনেকটা নিজের পিসির মতো ব্যবহার করতে চান তাদের জন্য এই সেটটা দারুণ।

DSC05766DSC05781

 

 

হ্যান্ডসেটের প্রধান উল্লেখযোগ্য দিকগুলো

Sony XPERIA SL LT26ii ২জি নেটওয়ার্কে GSM 850 / 900 / 1800 / 1900 ৩জি নেটওয়ার্কে HSDPA 850 / 900 / 1900 / 2100 – LT26ii ব্যান্ডউইথ সাপোর্ট করে। সিম ব্যবহার করতে হবে মাইক্রো সিম। Sony XPERIA SL LT26ii এর স্ক্রিনের আকার হচ্ছে ৪.৩’’ এবং ডিসপ্লে রেজুলেশন ৭২০ × ১২৮০ পিক্সেল। এর পিক্সেল ডেনসিটি হচ্ছে ৩৪২ পিক্সেল পার ইঞ্চি (পিপিআই), এটির ডিসপ্লে হচ্ছে একটি TFT প্রযুক্তির ডিসপ্লে। সেই সাথে এই সেটের ডিসপ্লে মাল্টিটাচ সাপোর্ট করে। তার মানে হলো এক সাথে আপনি ১০ টি আঙ্গুল যথেচ্ছা ভাবে ডিসপ্লের উপর নাড়াচাড়া করতে পারবেন। ডিসপ্লেটি একই সাথে স্ক্র্যাচ প্রটেকটিভ। সেটটি মাত্র ১৪৪ গ্রাম ভারী। তারমানে আপনি খুব সহজেই এটি ব্যবহার করতে পারবেন।

Sony XPERIA SL LT26ii এ রয়েছে ডুয়েল কোর ১.৭ গিগাহার্জ Scorpion এর প্রসেসর। গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিটে রয়েছে Adreno 220 । সিস্টেম চিপসেটে আছে Qualcomm Snapdragon S3 MSM8260। আর এর রয়েছে ১ গিগাবাইট র‌্যাম ও ২৬ গিগাবাইট ইন্টারনাল স্টোরেজ! যার জন্য মাইক্রো-এসডি কার্ডের অপশনটি আর রাখা হয়নি (দরকার আছে কি?)

এ ফোন সেটটিতে চলছে অ্যান্ড্রয়েড ৪.০.৪ আইসক্রিম স্যান্ডউইচ । পাশাপাশি সেটটিতে রয়েছে ১২.১ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা, ১.৩ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা, রেডিও, ব্লুটুথ, জিপিএস, অ্যাক্সেলেরোমিটার, প্রক্সিমিটি সেন্সর, ওয়াই-ফাই, ওয়াই-ফাই হটস্পট ও ৩জি সুবিধা। এগুলো হচ্ছে এক নজরে Sony XPERIA SL LT26ii এর স্পেসিফিকেশন। এবারে চলুন হ্যান্ডসেট রিভিউ-এর আসল পর্যায়ে যাওয়া যাক, যেখানে আমরা শেয়ার করবো আমাদের অভিজ্ঞতা।

 

বডি ডিজাইন

Sony XPERIA SL LT26ii ফোন সেটটির শারীরিক আকার হল 5.04 x 2.52 x 0.42 inches (128 x 64 x 10.6 mm) । ব্যাটারী সেটের বডির ভিতরেই এমবেডেড। আলাদা করে ব্যাটারি লাগানো যায় না। সেটের পিছনে একটি প্রধান ক্যামেরা, একটি LED ফ্ল্যাশ ও একটি স্পিকার আছে।

ফোন সেটটির বাম পাশে চার্জার পোর্ট এবং ডান পাশে HDMI পোর্ট, সাউন্ড লেভেল আপ-ডাউন বাটন এবং ক্যামেরার মাধ্যমে ছবি তোলার বাটন আছে।

 

ডিসপ্লে

এই ফোনটি সেটটি যে কারণে আমার কাছে প্রথম দেখাতেই ভালো লেগেছে তার একটি কারণ  হলো এর বিশাল আকৃতির ডিসপ্লে। এতে আছে  ৪.৩ ইঞ্চি  ডিসপ্লে যার রেজুলেশন ৭২০ × ১২৮০ পিক্সেল এবং পিক্সেল ডেনসিটি হচ্ছে ৩৪২ পিক্সেল। ফোনটির ডিসপ্লে নিয়ে আমার কোনো ধরণেরই অভিযোগ নেই। আসলেই এই ধরণের ডিসপ্লে সব ধরণের কোম্পানী থেকে আশা করা যায় না।

আমি এটুকু নিশ্চয়তা দিয়ে বলতে পারি এই ডিসপ্লে প্রথম দেখাতেই আপনার নজর কেড়ে নিতে বাধ্য। এর হাই ডেফিনিশন ভিডিও দেখেও আপনি কিছুক্ষণ অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকবেন। আমাকেও খানিকটা অবাক হতে হয়েছিল। এমনি সেটটি কেনার পর হাই-রেজুলেশনের একটি ভিডিও চালু করে এবং সেটা দেখে রীতিমতো থতমত হয়ে যেতে হয়েছিল। আর তাও বাড়তি কোনো অ্যাপ্লিকেশন ছাড়াই। বিল্ট-ইন প্লেয়ারই যথেষ্ট ভালো রেজুলেশনে (ট্রু HD) ভিডিও প্লে করতে সক্ষম।

 

ইউজার ইন্টারফেস, হোমস্ক্রিন ও উইজেট

এই ফোন সেটটিতে চলছে সনি কোম্পানীর নিজস্ব কাস্টমাইজ অ্যান্ড্রয়েড আইসক্রিম স্যান্ডউইচের অপারেটিং সিস্টেম। আইসক্রিম স্যান্ডউইচের সব সুবিধাই এতে পাওয়া যাবে। তাই আর এর ইউজার ইন্টারফেস নিয়ে কিছু এই বলার নেই । এটিতে পাচ্ছেন সনি কোম্পানীর নিজস্ব উইজেট যেগুলো অ্যান্ড্রয়েডের অপারেটিং সফটওয়্যারের সাথেই থাকে। আর গুগলের অ্যাপ্লিকেশনগুলো তো আছেই।

DSC05785

কন্টাক্টস

ফোন করার স্ক্রিন থেকে আপনি সরাসরি কল লগ, কন্টাক্টস, গ্রুপ এবং ফেভারিটস নম্বরে যেতে পারবেন। এটি তে ৩জি আছে এবং Skype, Tango ও ব্যবহার করতে পারবেন ! শুধু একটাই সমস্যা আর সেটা হল এটাতে বিল্ট-ইন ভিডিও কলিং এর সুবিধা রাখা হয়নি। আপনাকে একটু কষ্ট করে গুগল মার্কেট থেকে একটা সফটওয়্যার নামিয়ে নিতে হবে।

DSC05786

মেসেজিং

মেসেজিং স্ক্রিনও অ্যান্ড্রয়েড আইসক্রিম স্যান্ডউইচের মতোই। তবে এই ফোনের বিশালতার কারণে এখানে এসে একটু ঝামেলা মনে হতে পারে। অর্থাৎ, ৪.৩ ইঞ্চি ডিসপ্লেতে এক হাত দিয়ে লেখা বেশ কষ্টের ব্যাপার। তবে ২ হাত দিয়ে লিখলে ঠিক মতোই লেখা যায়। অবশ্য টাইপিং-এর সময় আমি কোন ল্যাগিং বা Slow Response পাইনি। অর্থাৎ, এর ডিসপ্লের টাচ রেসপন্স বেশ ভালো। অনেক সময় মনে হয়েছে যে ডিসপ্লে না ছুয়েই লিখে ফেলছি!

DSC05787

মিউজিক

সনি কোম্পানীর মিউজিকের ইফেক্টের ক্ষেত্রে নতুন করে কিছুই বলার নাই এই ফোনের জন্যে। ওয়াকম্যান সফটওয়্যার যেহেতু সারা বিশ্বেই জনপ্রিয় এবং সেটিই এই সেটের মিউজিক শোনার জন্য ব্যবহৃত হয়। সেটের মিউজিক/সাউন্ড খুবই পরিস্কার ও স্পষ্টও। স্পিকারের সাউন্ডও দারুণ।  হেডফোনে গান শুনলে মনে হবে যেন ৩D ইফেক্টে গান শুনছি! সেক্ষেত্রে সেটটি কেনার সময় অবশ্যই দেখে নিতে হবে হেডফোনটি আসল কি না। সেটটির সাউন্ড পোর্ট ৩.৫ মিলিমিটার হলেও সব হেডফোন কিন্তু ঠিকমতো কাজ করবে না।

DSC05790

ইন্টারনেট

আমরা সবাই যারা স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকি জানি যে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের আসল মজাই ইন্টারনেটে নিহিত। তাই নয় কি? আর এই ইন্টারনেট ব্যবহারের সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতাটুকু দিতে সক্ষম করেই তৈরি করা হয়েছে Sony XPERIA SL LT26ii।

অ্যান্ড্রয়েডের ডিফল্ট ব্রাউজার হিসেবে যেটি দেয়া হয়েছে সেটা দিয়ে প্রায় সব ব্রাউজিং-এর কাজই চালিয়ে নিতে পারবেন। ইন্টারনেট সংযোগ দ্রুতগতির থাকলে এই ব্রাউজারও দ্রুত কাজ করবে। তবে ডিভাইসের ডিফল্ট ব্রাউজারে সবসময়ই সুযোগ সুবিধার কিছুটা কমতি থাকে। তাই আমার পরামর্শ হচ্ছে এই সেটের জন্য গুগল ক্রোম বা ফায়ারফক্স ডাউনলোড করে ব্যবহার করা। অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় ও বিভিন্ন সুবিধা সম্পন্ন হচ্ছে উপরিউক্ত দুইটি ব্রাউজার।

বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনেও ইন্টারনেটের গতিতে কোনো সমস্যা লক্ষ্য করা যায়নি। ইন্টারনেট সংযোগ অ্যাকটিভ করার পর থেকে সব অ্যাপ্লিকেশনেই কানেকশন পৌঁছে গেছে। এর জন্য বাড়তি কোনো ঝামেলাও করতে হয়নি যেমনটা অনেক জাভা ফোনে করতে হতো। অবশ্য এটা সব অ্যান্ড্রয়েড ফোনে একই।

এছাড়াও Sony XPERIA SL LT26ii-এ প্রক্সিমিটি সেন্সর, অ্যাক্সেলেরোমিটার সেন্সর, কম্পাস, গাইরো, জিপিএস ইত্যাদি বেশ ভালোমতোই কাজ করে। এগুলোর মধ্যে প্রক্সিমিটির মাধ্যমে আপনি যখনই ফোন রিসিভ করবেন, তখন ফোনটি কানের কাছে নিলেই লাইটটি নিভিয়ে দেবে, অ্যাক্সেলেরোমিটার বিভিন্ন ড্রাইভিং গেম খেলতে এবং জিপিএস গ্লোবাল ম্যাপে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আপনার অবস্থান দেখাবে।

ডিফল্ট অনেক অ্যাপ্লিকেশনই দেয়া থাকে Sony XPERIA SL LT26ii তে। তবে এর মধ্যে যেগুলো কাজে লাগবে, সেগুলো হলো গুগল অ্যাপস, আপডেট সেন্টার, জিমেইল, মেসেঞ্জার এবং ফেসবুক।
সনি কোম্পানীরও নিজস্ব কিছু অ্যাপ্লিকেশন দেওয়া আছে কিন্তু সেগুলো আসলে তেমন কোন কাজের না!

DSC05791

গেমস

গেমসের পারফরম্যান্সও খুবই সন্তোষজনক। আসলেই আমি নিজেই অবাক হয়ে গিয়েছিলাম এই ফোনের গেম এর পারফরম্যান্স দেখে ! শুরু শেষ পর্যন্ত সব গেমই চলে এই মোবাইলে। এমন অনেকে আছেন যারা গেম খেলতে পছন্দ করেন, তাদেরকে বলছি আমার মতে গেম খেলার জন্য এই সেই মোবাইল ফোন যার জন্য আপনি এতদিন দেরি করছিলেন!

DSC05793

ক্যামেরা

ক্যামেরার দিক দিয়ে যদি বলতে হয় তাহলে আমার ক্ষেত্রে এই সেটটা সবচেয়ে ভালো। এটির ক্যামেরা ১২.১ মেগাপিক্সেল, এবং এর তোলা ছবির কোয়ালিটি সত্যিই দারুণ। অবশ্যই আপনি একটি মোবাইলের ক্যামেরার সঙ্গে ডিএসএলআর ক্যামেরায় তোলা ছবির তুলনা করতে যাবেন না। এর ছবি তুলনা করতে পারেন স্যামসাং গ্যালাক্সি S3, Nokia Lumia 920 – এর সঙ্গে। পার্থক্যটা নিজেই বুঝবেন। নিচে দেয়া হলো Sony XPERIA SL LT26ii এর ক্যামেরায় তোলা আমার কয়েকটি ছবি। ভিডিও রেকর্ডিং করতে পারবেন ফুল HD ফরম্যাটে।

DSC_0436

 

DSC_0439

DSC_0438

ব্যাটারি

সারাক্ষণ ইন্টারনেট চালু রাখলেও মোটামুটি একদিন পুরোপুরি ব্যাকআপ দেবে Sony XPERIA SL LT26ii! এটিতে থাকছে একটি ১৭৫০ mAh এর ব্যাটারি। যদি একটু সতর্ক আর বুদ্ধি দিয়ে ফোন সেটটি চালান তাহলে ব্যাটারি আরও অনেক সময় ব্যাকআপ দিবে।

 

সমস্যা

আমার মতে Sony XPERIA SL LT26ii -এ বলতে গেলে তেমন কোন সমস্যাই নেই। কিন্তু ব্যবহার করতে গিয়ে যেটি প্রায়ই সমস্যা মনে হয় সেগুলোর কথা বলছি। অতিরিক্ত ব্যবহার করলে ফোন সেটটি বেশ গরম হয়ে যায়। যেহেতু ৩জি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করি তাই দেখা যায় খুব তারাতারিই ব্যাটারি শেষ হয়ে যায়। কিন্তু সেটা সেটের সমস্যা না, সমস্যাটা হল আমাদের দেশের নেটওয়ার্কের। নেটওয়ার্ক প্রভাইডাররা কখনই ফুল ব্যান্ডউইথ দেয় না। মনে হয় ডিসপ্লেটি একটু বেশিই বড় (আমার জন্য); মাঝে মাঝে রাস্তায় বের করতে যে সমস্যার সম্মুক্ষীন হই সেটা হল, সবাই তাকিয়ে থাকে সেটটার দিকে। যেটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আমার জন্য অস্বস্তিকর।

 

দাম

অনেকের চোখে দাম এড়িয়ে গেছে তাই আলাদা করে দেয়া হলো। আমি ঠিক করে বলতে পারছিনা যে সেটটার দাম বাংলাদেশে কত। কারণ আমি সেটটি নিয়ে এসেছি হংকং থেকে। সেখান থেকে কিনতে আমার খরচ পড়েছে ৩৪,৫০০ টাকা। তাই আন্দাজে বলছি হয়ত সেটটার দাম বাংলাদেশে খুব বেশি হলে ৪২,০০০ টাকা পড়তে পারে(বাজার ভেদে)।

 

সিদ্ধান্ত

সর্বশেষে একটা কথা স্বীকার করতেই হবে Sony XPERIA SL LT26ii কিনে আমি মোটেই পস্তাচ্ছি না। আপনিও পস্তাবেন না বলেই আশা করি। তবে সবই নির্ভর করে আপনি আপনার সেট থেকে কী কী জিনিষ আশা করেন। আপনি যদি সারাক্ষণ ওয়েব ব্রাউজিং আর পিডিএফ বই পড়তে চান তাহলে আগেই বলে দিয়েছি, এই ফোন আপনার জন্য । আর যদি আইসক্রিম স্যান্ডউইচ, জেলি বিনের কাস্টম রম ইত্যাদি ইন্সটলের ইচ্ছে থাকে তাহলেও Sony XPERIA SL LT26ii ব্যবহার করতে পারবেন।

আবার আপনি যদি আরও বেশি দামে আরও ফিচারসমৃদ্ধ সেট কিনতে চান, তাহলে অপেক্ষা করতে পারেন Sony XPERIA Z ফোনের জন্য, যা সম্প্রতি বাজারে মুক্তি পেতে যাচ্ছে ও বাংলাদেশে আসতে কিছুটা সময় নিতে পারে।

এবার আপনার সিদ্ধান্ত জানানোর পালা। Sony XPERIA SL LT26ii  ব্যবহারকারীরা আপনাদের মতামত জানাবেন। আর যারা কিনবেন ভাবছেন, তারাও যে কোনো প্রশ্ন বা সিদ্ধান্ত মন্তব্যের ঘরে আমাদের জানান। আপনার কোনো বন্ধু কিনবেন বলে ভাবছেন, তাকেও পাঠিয়ে দিন এই রিভিউ। আর এমনই হ্যান্ডসেট রিভিউ’র জন্য ইমেইলে অথবা ফেসবুকে লাইক করুন ওয়েবস্কুলবিডি।

Leave a Reply