Gionee এর ফ্ল্যাগশিপ ফোন Elife E7

বর্তমানে বাংলাদেশের মোবাইল মার্কেটে চলছে চাইনিজ রিব্র্যান্ডিং কিন্তু টেকসই স্মার্টফোনের জয়জয়কার। বিভিন্ন দেশি মোবাইল কোম্পানীগুলো এখন রীতিমত প্রতিযোগিতা করে স্বল্পমুল্যের কিন্তু বেশ ভালো মানের টেকশই স্মার্টফোন নিয়ে আসছে। আজকে যেই স্মার্টফোনটি আপনাদেরকে পরিচিত করাবো সোজা সাপটা বলতে গেলে এই সেটটি বাংলাদেশের বাজারে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কিন্তু এই রিব্র্যান্ডিং সেটের যুগে হয়ত কিছুদিনের মধ্যেই যেকোন একটি দেশি কোম্পানি এই সেটটি দেশিয় ব্র্যান্ডে দেশের বাজারে আনবে। যাই হোক সেটটি হল Gionee Elife E7।মুলত এই সেটটির অরিজিন চায়নাতে। কোম্পানিটি নভেম্বর মাসে তাদের এই সাম্প্রতিক নতুন সেটটি বাজারে অবমুক্ত করে। সেটটিকে তারা বলছে ফ্ল্যাগশিপ সেট।

Gionee Elife E7

এই সেটটিতে আছে ৫.৫ ইঞ্চি JDI ডিস্প্লে, ভিডিও সাইজ ১৯২০×১০৮০ পিক্সেল এবং ডেনসিটি ৪০১ পিপিআই। সাথে আছে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০০ প্রসেসর এবং ১৬ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। নিচে Gionee Elife E7 সেটটির সম্পূর্ণ বর্ণনা দেয়া হল-

GENERAL
2G Network:  GSM 850 / 900 / 1800 / 1900
3G Network: HSDPA 850 / 900 / 1900 / 2100
4G Network: Yes
SIM: Micro-SIM
Announced: November 2013,
Status Exp. Release: November 26, 2013

BODY
Dimensions: N/A
Weight:  N/A

DISPLAY
Type:  JDI DisplaySize1920 x 1080 pixels, 5.5 inches (~401 ppi pixel density)
Multitouch:  Yes
Protection : Gorilla Glass 3

SOUND
Alert types :  Vibration, MP3, WAV ringtones
Loudspeaker : Yes
3.5mm jack:  Yes

MEMORY
Card slot: microSD, up to 32 GB
Internal:  16 GB ROM, 2 GB RAM & 32 GB ROM, 3 GB RAM

DATA
GPRS: Yes
EDGE:   Yes
WLAN: Wi-Fi 802.11 b/g/n
Bluetooth: Bluetooth 4.0
NFC: Yes
Infrared port : No
USB: Yes, microUSB

CAMERA
Primary: 16 MP, 4128 x 3096 pixels,autofocus, dual LED flash
Features: Geo-tagging, BSI sensor, f/2.2 aperture
Video: Yes, Full HD (1080p) recording
Secondary: Yes, 8 MP

FEATURES
OS: Android OS, 4.3 (Jelly Bean)
Chipset: Qualcomm Snapdragon 800
CPU: Quad Core, 2.2GHz & 2.5GHz Krait 400
GPU: N/A
Sensors: Accelerometer, proximity, compass
Messaging: SMS (threaded view), MMS, Email, Push Email, IM
Browser: HTML5
Radio: FM radio
GPS: Yes, with A-GPS support
Java:  Yes, via Java MIDP emulator
Colors: Black, White
More:  Finger print sensor on the back, Calculator, World clock, Calendar, Alarm, Document viewer

BATTERY
Type:  2,500 mAh non-removable battery.

Gionee Elife E7 সেটটিকে কোম্পানি বলছে ছবি তোলার জন্য তাদের তৈরিকৃত সবচেয়ে ভালো সেট। এটাকেই তারা প্রধান ফিচার হিসেবে দেখাচ্ছে। তার সাথে আছে আবার ৮ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা যা দিয়ে নিজের ছবিতো তোলা যাবেই সেই সাথে ভিডিও চ্যাটিং এও আমুল পরিবর্তন।

চীনের সাংহাই-তে বেশ জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে এই ফ্ল্যাগশিপ সেটটি রিলিজ করা হয়। এই সেটটিতে আছে ফুল এইচডি ডিস্প্লে সাথে গরিলা গ্লাস ৩ টাইপ প্রটেকশন। এর চারপাশে আছে ২.৩৩ মিলিমিটারের আল্ট্রা ন্যানো ফ্রেম। এর প্রসেসরের উপর নির্ভর করে ২টি সংস্করণ আছে। একটি ২.২ গিগাহার্জ এর কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০০ প্রসেসর এবং আরেকটি হল ২.৫ গিগাহার্জ এর কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগন ৮০০ প্রসেসর যা কিনা LTE টেকনোলজি সাপোর্ট করে। দুটি সংস্করণ-ই অ্যান্ড্রয়েড ৪.২ জেলি বিন অপারেটিং সিস্টেম এবং Amigo 2.0 ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে চলবে।

এছাড়া র‍্যাম ও মেমোরীর উপর নির্ভর করেও সেটটির ২টি আলাদা সংস্করণ আছে। ১৬ গিগাবাইট স্টোরেজের ইউনিটে ২ গিগাবাইট র‍্যাম ও ৩২ গিগাবাইট স্টোরেজের ইউনিটে ৩ গিগাবাইট র‍্যাম ব্যবহৃত হয়েছে ।

ওটিজি, এনএফসি, ব্লুটুথ ৪.০, ওয়াই-ফাই ডিরেক্টসহ সর্বশেষ প্রায় সব প্রযুক্তির মিশ্রণে তৈরি এই সেটটিতে নয়েজ ক্যানসেলেশন-এর জন্য ৩টি মাইক্রোফোন ব্যবহৃত হয়েছে। আর এ সব কিছুর একসাথে চলার ক্ষমতা জোগাতে দেয়া হয়েছে ২৫০০ এমএএইচ ব্যাটারি।

Gionee Elife E7 -এর ১৬ গিগাবাইটের দাম ধরা হয়েছে ২,৬৯৯ চাইনিজ ইউয়ান যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৩৫,০০০ টাকা। অন্যদিকে ৩২ গিগাবাইটের দাম ৩,১৯৯ ইউয়ান যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪১,০০০ টাকা। যদিও এই দামে বাংলাদেশে পাওয়া যাওয়ার সম্ভাবনা কম, নতুন এই সেটটি সারাবিশ্বে আগামী বছরের শুরুর দিকে বাজারে আসবে বলে জানিয়েছে। এছাড়াও মিডিয়াটেক-এর অক্টাকোর প্রসেসর সমৃদ্ধ ই৭ মিনি শিগগিরই অবমুক্ত করা হবে বলেও জানিয়েছে কোম্পানিটি।

তথ্য সুত্রঃ

  1. http://www.engadget.com/2013/11/28/gionee-elife-e7-16mp-2-5ghz-snapdragon-800/
  2. http://www.gsmarena.com/16mp_gionee_elife_e7_claims_to_be_the_best_android_cameraphone-news-7262.php

Leave a Reply